‘নতুন কুঁড়ি’র দুই চ্যাম্পিয়নের গল্প
‘সব ধরনের গানের চর্চা চালিয়ে যাবটাঙ্গাইল সদরের আকুরটাকুর পাড়ায় থাকে প্রেয়সী চক্রবর্তী। মা–বা দুজনই সরকারি চাকুরে। মা রাখি চক্রবর্তী স্কুলশিক্ষক; বাবা পল্লব চক্রবর্তী যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে চাকরি করেন। বড় বোন শ্রেয়সী চক্রবর্তীও গান করেন। এখন বৃত্তি নিয়ে ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে শাস্ত্রীয় সংগীতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। বাবা-মায়ের কাছেই প্রেয়সীর গানের ‘নতুন কুঁড়ি’তে আধুনিক ও রবীন্দ্রসংগীতে প্রথম ও নজরুলসংগীতে সেরা দশে স্থান করে ‘ক’ বিভাগের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শাহীন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রেয়সী। পরিবারের বাইরে ড. অসিত রায়ের সংগীতশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ষড়জ পঞ্চম রাগসংগীত একাডেমিতে তালিম নপ্রেয়সীর বাবা পল্লব চক্রবর্তী প্রথম আলোকে বললেন, ‘“নতুন কুঁড়ি”র খবর শুনে ওকে বলছিলাম, “মা, তুমি কি প্রতিযোগিতায় যাবা?” মেয়ে আমার সাথে সাথে হ্যাঁ বলে। ওর অডিশন পড়ে ময়মনসিংহে। যেহেতু মেয়ের ইচ্ছা, ওকে নিয়ে চলে যাই। এরপর তো সবাই ওর গায়কি পছন্দ করে। আস্তে আস্তে অন্য বিচারকেরা পছন্দ করলেন। এই সাফল্যের পেছনে ওর মায়ের পরিশ্রমটা অনেক বেশি। আর প্রতিযোগিতা চলাকালে আমার বড় মেয়ে দেশে ছিল। ও থাকার কারণে ছোট মেয়েটা সপ্রেয়সীর সংগীতে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার ইচ্ছা। জানাল, ‘সব ধরনের গানের চর্চা চালিয়ে যাব। আমার চর্চা ঠিক করে দেবে ভবিষ্যতে কী গান নিয়মিত গাইব। সবার কাছে দোয়া চাই।’াহস পেয়েছে।’
িচ্ছে।
হাতেখড়ি।
’
‘হাবিব ভাই আমাকে ফুয়াদ ভাইয়ের কাছে পাঠিয়েছিলেন’
দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে এবার নাম জড়াল শ্রদ্ধা, নোরার
কী হলো বব ডিলানের কনসার্টে
‘সাইয়ারা’র নতুন সুখবর, কী পুরস্কার জিতল সিনেমাটি
স্ক্রিমকুইন এবার দানব–সিনেমায়