মধুর অসম্পূর্ণ জীবন, পূর্ণতা পায় কিশোরের সত্যিকার ভালোবাসায়
মধুবালা সেই নাম যাকে আজও পর্দার সবচেয়ে সুন্দরী অভিনেত্রী হিসেবে মনে করা হয়। এক প্রজন্মের সিনেমাপ্রেমীদের কাছে তিনি ছিলেন পর্দার দেবী। কিন্তু মাত্র ৩৬ বছর বয়সে থেমে যায় তার জীবনের প্রদীপ।
কিন্তু তার জীবনের সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি ছিল অল্প বয়সে মৃত্যু। তবে স্বল্পকালীন জীবনে কিশোর কুমারের সত্যিকারের ভালোবাসাই যেনো তার জীবনকে পূর্ণতা দেয়।
মধুবালার মোহনীয় হাসি১৯৫৮ সালে ‘চালতি কা নাম গাড়ি’ ছবি করতে গিয়ে কিশোর কুমার ও তার মাঝে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে যা প্রেমের সম্পর্কে পরিণত হয়। ১৯৬০ সালে তারা বিয়ে করেন।
কিন্তু তাদের সম্পর্কটি সহজ ছিলো না। মধুবালা অল্প বয়সে জটিল রোগে আক্রান্ত হন। তার হৃৎযন্ত্রে ছিদ্র ধরা পড়ে। চিকিৎসকরা বলে দিয়েছিলো তার হাতে বেশি সময় নেই। তিনি মাত্র দুই বছর বাঁচতে পারেন।
মধুবালা ও কিশোর
কিন্তু কিশোর কুমার এই কঠিন সময়ে তার হাত ছাড়ে নি। চিকিৎসার জন্য তাকে লন্ডন নিয়ে গিয়েছিল। কোনো কিছুতেই হার মানতে চাননি কিশোর। দিন-রাত তার সেবা করতেন।
তবে নিয়তির পরিকল্পনা ছিলো অন্য কিছু। ১৯৬৯ সালে কিশোরকে চিরবিদায় জানান মধুবালা। মাত্র ৯ বছরের দাম্পত্য জীবন ছিলো তাদের। মধু ও কিশোরের সত্য প্রেম কাহিনী আজ ও মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে।
অনেক অভিনেত্রী এসেছেন, দর্শকের মন জয় করেছেন। কিন্তু সিনেমা জগতে মধুবালার জায়গা অনন্য। হয়তো তার অকাল মৃত্যুই আরও রহস্যময় করেছে মধুবালাকে।
‘হাবিব ভাই আমাকে ফুয়াদ ভাইয়ের কাছে পাঠিয়েছিলেন’
দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে এবার নাম জড়াল শ্রদ্ধা, নোরার
কী হলো বব ডিলানের কনসার্টে
‘সাইয়ারা’র নতুন সুখবর, কী পুরস্কার জিতল সিনেমাটি
‘নতুন কুঁড়ি’র দুই চ্যাম্পিয়নের গল্প